1. admin@dainikbanglarkotha.com : banglarkotha1987 :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে মৃদুল নামে এক ব‍্যক্তি থানার পরিচয় ব্যবহার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের দাবি সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদের ঢাকা মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা আমিরুল ইসলাম সভাপতি, সানোয়ার খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত সোনারগাঁ ও বন্দরে পৃথক ডাকাতি: প্রবাসী পরিবারের স্বর্ণালংকার ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শর্টগানসহ ৫ ডাকাত গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে পানাম নগরীর প্রাচীন সেতু পুনর্নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁয়ে জামায়াতের প্রতিনিধি সম্মেলন, প্রার্থিতা ঘোষণা সোনারগাঁয়ে ‘One Student, One Tree’ কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ উৎসব অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক আড়াইহাজার ​বর্ণিল আয়োজনে নারায়ণগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন: জাফলং ও ভোলাগঞ্জ ভ্রমণ মোগরাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আশরাফ উদ্দিনের ৯নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ, ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা সোনারগাঁয়ে আর্জেন্টিনা ভক্তদের বিশাল বাইক শো ডাউন

নারায়নগঞ্জ ফতুল্লায় ফারিয়া গার্মেন্টসের এজিএম এর রহস্যজনক মৃত্যু, কর্মীদের বিক্ষোভ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১১৯ বার পঠিত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:-

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অ্যাসরোটেক্স গ্রুপের একটি পোশাক কারখানার স্টোররুম থেকে এক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কারখানাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের সহকর্মী ও শ্রমিকরা এটিকে পরিকল্পিত হত্যা দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের বারৈভোগ এলাকায় অবস্থিত ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড কারখানার একটি স্টোররুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইদ্রিস আলী (৪৩) সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদী এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত ছিলেন। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়। তবে এ সময় কারখানার শ্রমিক ও সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়। কারখানাটির সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এক শ্রমিক স্টোররুমে ইদ্রিস আলীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ছুটি শেষে কারখানার গাড়িতে করে ইদ্রিস আলীর বাসায় ফেরার কথা ছিল। সহকর্মীরা তাকে ফোন দিলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে তাকে ছাড়াই গাড়িটি চলে যায়। পরদিন সকালে স্টোররুমে তার মরদেহ পাওয়া যায়। যে স্টোররুমে মরদেহটি পাওয়া গেছে, সেটির দায়িত্বেও ছিলেন ইদ্রিস আলী। এছাড়া ঘরটির লাইটও বন্ধ ছিল।নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার এ মৃত্যুকে রহস্যজনক দাবি করে বলেন, উনি নিয়মিত নামাজ কালাম পড়তেন এবং খুবই ভালো মনের মানুষ ছিলেন। আত্মহত্যা করার মতো কোনো কারণ ছিল না। সোমবার রাতে বাসায় না ফেরায় আমরা কারখানার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা বলেছিলেন, উনি কারখানায় নেই। পরে সকালে শুনি স্টোররুমে লাশ পাওয়া গেছে। আমাদের এ মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ আছে। তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

এদিকে, হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে’ এমন অভিযোগ তুলে কারখানাটির শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক বাংলার কথা
Theme Customized By Shakil IT Park