
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নতুন বছরের প্রথম প্রভাত, লাল-সাদা রঙে সাজা মানুষ আর প্রাণবন্ত উদ্দীপনায় মুখর সোনারগাঁ এমনই এক অনন্য আবহে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী ৭.৫ কিলোমিটার বৈশাখী ম্যারাথন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টায় সামাজিক সংগঠন “ভোরের পাখি সোনারগাঁও” এর উদ্যোগে এই আয়োজন যেন পহেলা বৈশাখ উদযাপনে যোগ করল এক ভিন্ন স্বাদ।
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য আর আধুনিক আয়োজনের মেলবন্ধনে ম্যারাথনটি হয়ে ওঠে এক প্রাণের উৎসব। অংশগ্রহণকারীদের গায়ে ছিল চিরায়িত নকশার বৈশাখী টি-শার্ট, আর আয়োজন শেষে ছিল বাঙালির চিরচেনা পান্তা-ইলিশ সব মিলিয়ে পুরো পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের রঙিন ছোঁয়া।
ঐতিহাসিক মসলিনখ্যাত প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁয়ে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে এমন ব্যতিক্রমধর্মী ম্যারাথন এই প্রথম। নানা বয়স ও পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে দিয়েছে এক মিলনমেলার রূপ।
দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার ও সংগঠনের সদস্য আল-আমিন তুষারের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত।
তিনি বলেন, নতুন বছরকে এমন সৃজনশীল ও স্বাস্থ্যকর আয়োজনের মাধ্যমে বরণ করা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করছি। উপজেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন রফিকুল ইসলাম বিপ্লব, সেলিম হোসেন, সাংবাদিক আল-আমিন তুষার, মো. শহীদ, ওমর ফারুক, সাংবাদিক ফরিদ হোসেন, মো. হানিফ, মো. আল-আমিন, মো. শিমুল, , ডা. এমদাদ হোসেন ও প্রবীণ সদস্য খোরশেদ আলম।
ম্যারাথনটি আনুষ্ঠানিক ভাবে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই অংশগ্রহণকারীদের দারুণ উদ্যমে মাত্র ৪০ মিনিটে সম্পন্ন করে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন সুজন, দ্বিতীয় স্থান ফয়সাল এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন মোক্তার হোসেন আজাদ।
উল্লেখ্য, এই আয়োজনকে সফল করতে স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে রাহে কাবা, সাইফুর’স কোচিং সেন্টার এবং এ ওয়ান সলিড ইন্ট্রাস্ট্রিজ লিমিটেড যাদের সহায়তায় বৈশাখের এই আয়োজন পেয়েছে পূর্ণতা।
Bottom of Form