1. admin@dainikbanglarkotha.com : banglarkotha1987 :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে মৃদুল নামে এক ব‍্যক্তি থানার পরিচয় ব্যবহার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের দাবি সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদের ঢাকা মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা আমিরুল ইসলাম সভাপতি, সানোয়ার খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত সোনারগাঁ ও বন্দরে পৃথক ডাকাতি: প্রবাসী পরিবারের স্বর্ণালংকার ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শর্টগানসহ ৫ ডাকাত গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে পানাম নগরীর প্রাচীন সেতু পুনর্নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁয়ে জামায়াতের প্রতিনিধি সম্মেলন, প্রার্থিতা ঘোষণা সোনারগাঁয়ে ‘One Student, One Tree’ কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ উৎসব অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক আড়াইহাজার ​বর্ণিল আয়োজনে নারায়ণগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন: জাফলং ও ভোলাগঞ্জ ভ্রমণ মোগরাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আশরাফ উদ্দিনের ৯নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ, ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা সোনারগাঁয়ে আর্জেন্টিনা ভক্তদের বিশাল বাইক শো ডাউন

রামিসা হত্যাকাণ্ড: তদন্তে বেরিয়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ১৫৮ বার পঠিত

ধর্ষক ও হত্যাকারী সোহেল ও তার স্ত্রী সম্পর্কে যা জানা গেল

 

বাংলার কথা ডেস্ক:-

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ড ঘিরে ভয়াবহ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ঘাতক সোহেল রানা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে দ্বিতীয় শ্রেণির এই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা এবং তার নিথর দেহ থেকে মাথা ধারালো চাকু দিয়ে আলাদা করাসহ ছোট্ট শিশুটির শরীরের ওপর স্বামী-স্ত্রীর নৃশংসতার লোমহর্ষক কাহিনি উঠে এসেছে।

জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, দরজা খোলার পর মেয়েটিকে দেখে তার বিকৃত যৌন লালসা জেগে ওঠে। ওই সময় ইয়াবা আসক্ত হওয়ায় মেয়েটিকে ডেকে ঘরের বাথরুমে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে গোটা ঘটনা ফাঁস হওয়ার আতঙ্কে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। একপর্যায়ে লাশ গুমে সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন রানার স্ত্রী।

বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

আদালতে জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, তারা একই ভবনে পাশাপাশি কক্ষে থাকতেন। শিশুটির পরিবারসহ তিনটি পরিবারের বাস ছিল একই তলার পাশাপাশি। ঘটনার দিন সকাল ৯টার দিকে শিশুটিকে দেখে ইয়াবা আসক্ত সোহেলের মধ্যে বিকৃত যৌন লালসা তৈরি হয়। সুযোগ বুঝে শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয় সে। পরে জোর করে বাথরুমে নিয়ে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে ধর্ষণ করে।

সোহেল জানায়, ঘটনার পর শিশুটি তার মা-বাবাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সোহেল। নিজের অপরাধ ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় একপর্যায়ে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্বামীকে বাঁচাতে লাশ গোপন করার পরিকল্পনা করেন। লাশ গুম করতে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে ফেলা হয়। এছাড়া তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধের কাছ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর লাশ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। এ সময় মেয়েটির মা দরজায় নক করছিলেন। তখন মূল আসামি সোহেল যাতে পালাতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতে স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন। সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পর স্বপ্না দরজা খোলেন। পুরো প্রক্রিয়াতেই সোহেলকে সহযোগিতা করেন তিনি।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একই ভবনের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তার মেয়েকে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে মেয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাডাকি করা হয়। কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে শয়নকক্ষের মেঝেতে তার মেয়ের মস্তকবিহীন লাশ ও বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া যায়।

এজাহারে বলা হয়, শিশুটিকে কক্ষে নেওয়ার সময় সোহেলের সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয় আরও এক ব্যক্তি ছিল।

 

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক বাংলার কথা
Theme Customized By Shakil IT Park