1. admin@dainikbanglarkotha.com : banglarkotha1987 :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে মৃদুল নামে এক ব‍্যক্তি থানার পরিচয় ব্যবহার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের দাবি সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদের ঢাকা মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা আমিরুল ইসলাম সভাপতি, সানোয়ার খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত সোনারগাঁ ও বন্দরে পৃথক ডাকাতি: প্রবাসী পরিবারের স্বর্ণালংকার ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শর্টগানসহ ৫ ডাকাত গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে পানাম নগরীর প্রাচীন সেতু পুনর্নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁয়ে জামায়াতের প্রতিনিধি সম্মেলন, প্রার্থিতা ঘোষণা সোনারগাঁয়ে ‘One Student, One Tree’ কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ উৎসব অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক আড়াইহাজার ​বর্ণিল আয়োজনে নারায়ণগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন: জাফলং ও ভোলাগঞ্জ ভ্রমণ মোগরাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আশরাফ উদ্দিনের ৯নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ, ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা সোনারগাঁয়ে আর্জেন্টিনা ভক্তদের বিশাল বাইক শো ডাউন

⬜মৃগীরোগ কী? মৃগী(ইংরেজি: Epilepsy)

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ১০৫৩ বার পঠিত

এটি নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক রোগ যা একজন ব্যক্তির বারবার খিঁচুনি ঘটায়। মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বলা হয় Epileptic. মস্তিষ্কে হঠাৎ অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপের কারণে এই খিঁচুনি ঘটে যা মস্তিষ্কের কোষগুলির মধ্যে মেসেজিং সিস্টেমে একটি অস্থায়ী ব্যাঘাত ঘটায়।

⬜কারণ: এই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ নেই। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে—

◾মৃগীর খিঁচুনি জেনেটিক হতে পারে
◾জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত
◾শিশুর জন্মের সময় মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব
◾সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে
◾মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা(স্ট্রোক বা অন্যান্য সময়)
◾মস্তিষ্কে টিউমার বা সিস্ট
◾অধিক মাত্রার জ্বর
◾মস্তিষ্কে প্রদাহ
◾ডিমনেশিয়া বা আলঝাইমার রোগ
◾অত্যধিক অ্যালকোহল বা ড্রাগ অপব্যবহার
◾সংক্রামক রোগ যেমন এইডস,মেনিনজাইটিস যা মস্তিষ্কের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে
◾ভাস্কুলার রোগ

⬜বয়স: মৃগীরোগ যেকোনো বয়সে হতে পারে। সাধারণত শৈশবকাল এবং ৬০ বছরের পর মানুষ এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।

⬜লক্ষণ:

◾হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া
◾হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া
◾শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া
◾হঠাৎ জ্ঞান হারানো
◾ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া
◾ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া
◾হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা
◾হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত,পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া
◾হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।

◻️খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না:
◾আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
◾খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আকঁড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না। এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
◾রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্যকিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।
◾রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্যকোন পানীয় দেওয়া যাবে না।

⬜চিকিৎসা: কোনো কোনো Epilepsy’র দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রবাব নেই। আবার কোনটি মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এপিলেপসির ধরন,তীব্রতা,সাধারণ স্বাস্হ্য এবং রোগীর বয়সের মতো বিষয়গুলো অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা করেন। চিকিৎসার প্রথম সারিতে খিঁচুনি-বিরোধী(অ্যান্টি-সিজার/অ্যান্টি কনভালসেন্ট) ওষুধ অন্তর্ভুক্ত। ওষুধ কার্যকর না হলে রোগীদের অস্ত্রোপচারারের পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

কলমে: জান্নাতুল ফেরদৌস সামিয়া
অনার্স ২য় বর্ষ,প্রাণিবিদ্যা বিভাগ

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক বাংলার কথা
Theme Customized By Shakil IT Park